বিজ্ঞাপন
সোমবার (৯ মার্চ) ঢাকার অমর একুশে বইমেলায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
বইটি সম্পাদনা করেছেন ড. রাজা উল্লাহ খান, ড. মো. হারুনুর রশিদ, পলাশ চন্দ্র গোস্বামী এবং মো. আবুল বাশার। এতে দক্ষিণ এশিয়ায় গ্রামীণ জীবিকা উন্নয়ন ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি ব্যবস্থায় আগ্রোফরেস্ট্রির গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের (বিএআরসি) নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. আব্দুস সালাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সার্ক কৃষি কেন্দ্রের পরিচালক ড. মো. হারুনুর রশিদ। এ সময় সার্কের অনান্য বিশেষজ্ঞগণ ও কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. আব্দুস সালাম বলেন, দক্ষিণ এশিয়া বর্তমানে জলবায়ু পরিবর্তন, জনসংখ্যার চাপ এবং সীমিত ভূমি সম্পদের মতো বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। এ পরিস্থিতিতে আগ্রোফরেস্ট্রি একটি কার্যকর ও টেকসই সমাধান হতে পারে। তিনি বলেন, ফসল ও গবাদিপশুর সঙ্গে গাছের সমন্বিত চাষাবাদ মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং কৃষকদের জলবায়ুজনিত ঝুঁকি মোকাবিলায় সহায়তা করে। পাশাপাশি এটি গ্রামীণ পরিবারের জন্য নতুন আয়ের সুযোগও সৃষ্টি করতে পারে।
সভাপতির বক্তব্যে ড. মো. হারুনুর রশিদ বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় আগ্রোফরেস্ট্রি ক্রমেই একটি জলবায়ু-স্মার্ট কৃষি পদ্ধতি হিসেবে গুরুত্ব পাচ্ছে। তিনি বলেন, এই অঞ্চলে বন্যা, খরা, তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং ভূমি অবক্ষয়ের মতো সমস্যা ক্রমেই বাড়ছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় টেকসই ও বহুমুখী কৃষি ব্যবস্থার প্রয়োজন রয়েছে। আগ্রোফরেস্ট্রি সেই পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে, কারণ এতে গাছ, ফসল এবং গবাদিপশুকে একত্রে অন্তর্ভুক্ত করে কৃষকদের সারা বছর খাদ্য উৎপাদন বজায় রাখা এবং একক ফসলের ঝুঁকি কমানো সম্ভব হয়।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে স্যাকের উদ্যোগে আয়োজিত একটি আঞ্চলিক বিশেষজ্ঞ পরামর্শ সভার ফলাফলের ভিত্তিতে বইটি প্রস্তুত করা হয়েছে। এতে দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা, নীতিগত দৃষ্টিভঙ্গি এবং আগ্রোফরেস্ট্রি সম্প্রসারণের জন্য বাস্তবসম্মত সুপারিশ তুলে ধরা হয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...