বিজ্ঞাপন
বিধানের আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার, সহপাঠী, শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, রোববার ঢাকা থেকে বাড়িতে ফেরেন বিধান। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে সময় কাটিয়ে রাত ১২টার দিকে ঘুমাতে যান তিনি। পরদিন সকালে অনেক ডাকাডাকির পরও সাড়া না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে কক্ষের দরজা ভেঙে তাকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান। পরে নিশ্চিত হওয়া যায়, তিনি আর বেঁচে নেই।
বিধানের বাবা জানান, “রোববার ঢাকা থেকে এসে সবার সঙ্গে হাসিমুখে কথা বলে খাওয়া-দাওয়া শেষে রাতে ঘুমাতে যায়। সকালে ডাকার পরও কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে দেখি, সে আর বেঁচে নেই।”
সহপাঠী জাভিদ রহমান অংকন বলেন, “বিধান অত্যন্ত মেধাবী, বিনয়ী ও বন্ধুবৎসল ছিলেন। তাঁর এই অকাল প্রস্থান কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যাচ্ছে না। আমরা গভীরভাবে শোকাহত।”
কৃষি অনুষদের (২০২১–২২ শিক্ষাবর্ষ) শিক্ষার্থী রাউফুন ইসলাম রাফি বলেন, “ভাইয়ের সঙ্গে দেখা হলেই তিনি হাসিমুখে কথা বলতেন। ক্যাম্পাসে আসার পর থেকে আমাদের জন্য তাঁর অবদান কখনো ভোলার নয়। আল্লাহ তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন।”
বিধানের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পাশাপাশি সহপাঠী ও বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকেও শোক জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, সাদাত জামান বিধান পবিপ্রবির ক্রীড়াঙ্গনের একটি পরিচিত মুখ ছিলেন। তিনি ক্রিকেট, ফুটবল ও ব্যাডমিন্টনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি হিসেবে অংশগ্রহণ করেছেন। এছাড়া তিনি পাবনা স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের একজন সিনিয়র সদস্য ছিলেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...