বিজ্ঞাপন
জাতীয় পর্যায়ের এ প্রতিযোগিতায় রত্না রানির সাফল্যের বিষয়টি ২ জুন বাংলাদেশ এগ্রিকালচারাল অলিম্পিয়াডের আনুষ্ঠানিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। ‘ইউথ ইন অ্যাকশন, স্মার্টার ফার্মিং ইন মোশন’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত অলিম্পিয়াডের প্রথম রাউন্ড অনুষ্ঠিত হয় গত ৮ জানুয়ারি। এরপর ১৭ জানুয়ারি কেস সলভিং রাউন্ড এবং ১৫ মে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) অনুষ্ঠিত হয় গ্র্যান্ড ফাইনাল। একই দিন বাকৃবির সৈয়দ নজরুল ইসলাম কনফারেন্স হলে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
নিজের এই অর্জনের পেছনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সহপাঠীদের সহযোগিতাকে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন রত্না রানি। তিনি জানান, পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক পাপড়ি হাজরার তত্ত্বাবধান, দিকনির্দেশনা ও অনুপ্রেরণা তার প্রস্তুতিতে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে। এছাড়া বিভাগের অন্যান্য শিক্ষকদের গঠনমূলক পরামর্শও তাকে প্রতিযোগিতায় সফল হতে সহায়তা করেছে।
নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে রত্না রানি বলেন, “প্রথম স্থান অর্জনের খবরটি আমার জন্য বেশ বিস্ময়কর ছিল। অলিম্পিয়াড থেকে অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাকে ভবিষ্যতে বাস্তব কাজে লাগাতে চাই, বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকার কৃষি ও পরিবেশসংক্রান্ত সমস্যার সমাধানে অবদান রাখতে চাই।”
তিনি আরও বলেন," জাতীয় পর্যায়ের এ ধরনের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের দক্ষতা ও মেধার বিকাশ ঘটাতে পারে এবং দেশের বিভিন্ন অঙ্গনে বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও গৌরবের সঙ্গে প্রতিনিধিত্ব করতে পারে।"
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ এগ্রিকালচারাল অলিম্পিয়াড বর্তমানে দেশের কৃষি, পরিবেশ, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনভিত্তিক জ্ঞানচর্চার অন্যতম বৃহৎ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিত। এমন একটি প্রতিযোগিতামূলক মঞ্চে প্রথম স্থান অর্জনের মাধ্যমে রত্না রানি শুধু ব্যক্তিগত সাফল্যই অর্জন করেননি, বরং পবিপ্রবির জন্যও এনে দিয়েছেন অনন্য সম্মান ও গৌরব।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...