Logo Logo

উন্মুক্ত ভূ-তথ্য তৈরিতে সাফল্যের স্বাক্ষর মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি শিক্ষার্থীদের


Splash Image

ম্যাপাথনে শীর্ষ অবদানকারীদের তালিকায় বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করেন। শাফায়াত উর রহমান ১ লাখ ৯৭ হাজার ৯৯৪টি ভ্যালিড বিল্ডিং ম্যাপিং করে প্রথম স্থান অর্জন করেন। রনিত কুমার রায় ১ লাখ ৩০ হাজার ৭২৪টি ভ্যালিড বিল্ডিং ম্যাপিং করে দ্বিতীয় স্থান লাভ করেন। এছাড়া গৌরব রায় অন্তর পঞ্চম, মো. মুসাঈদুর রহমান সপ্তম, ফিদা হাসান অষ্টম এবং দিলশাদ জাকিয়া রহমান নবম স্থান অর্জন করেন।


বিজ্ঞাপন


গত ৩০ দিনে অংশগ্রহণকারীরা HOT Tasking Manager-এর মাধ্যমে তিস্তা নদী অববাহিকার বিভিন্ন অঞ্চলের সড়ক ও ভবনের তথ্য ডিজিটাইজ করেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ তথ্য ভবিষ্যতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, মানবিক সহায়তা কার্যক্রম, অবকাঠামো পরিকল্পনা এবং টেকসই উন্নয়ন উদ্যোগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

ম্যাপাথনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গত ১৪ মে ২০২৬ একটি অনলাইন কিক-অফ সেশন অনুষ্ঠিত হয়। সেশনে প্রশিক্ষক মো. মোস্তাকিন ইসলাম মিম অংশগ্রহণকারীদের OpenStreetMap সম্পাদনার কৌশল, HOT Tasking Manager-এর ব্যবহার এবং কার্যকর ম্যাপিং পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত প্রশিক্ষণ প্রদান করেন। এতে নতুন ও অভিজ্ঞ—উভয় ধরনের ম্যাপাররা উপকৃত হন।

আয়োজকদের মতে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন করেননি, বরং দেশের ঝুঁকিপূর্ণ ও অপেক্ষাকৃত অবহেলিত অঞ্চলগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ উন্মুক্ত ভূ-তথ্য তৈরিতেও কার্যকর অবদান রেখেছেন। ম্যাপাথনে নির্ধারিত ন্যূনতম অবদান পূরণকারী সকল অংশগ্রহণকারীকে সনদ প্রদান করা হবে এবং শীর্ষ অবদানকারীদের বিশেষ পুরস্কারে সম্মানিত করা হবে।

তিস্তা অববাহিকার জন্য নির্ভুল ও উন্মুক্ত ভূ-তথ্য তৈরির এই উদ্যোগে বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের অসাধারণ অর্জন দেশের তরুণ ম্যাপারদের জন্য এক অনুপ্রেরণার দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

প্রতিবেদক- সাদিকুর রহমান সাদি, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...