ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় আরাঘচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের উপকূল থেকে ২ হাজার মাইল দূরে সমুদ্রের মাঝখানে এই নৃশংসতা চালিয়েছে। তিনি এই ঘটনাকে আন্তর্জাতিক নৌ-চলাচলের আইনের চরম লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করেছেন।
আক্রান্ত জাহাজটি ছিল ‘ফ্রিগেট ডেনা’, যা ভারতীয় নৌবাহিনীর আমন্ত্রণে অতিথি হিসেবে সেখানে অবস্থান করছিল। হামলার সময় জাহাজটিতে প্রায় ১৩০ জন নাবিক ছিলেন। কোনো ধরনের আগাম সতর্কতা ছাড়াই আন্তর্জাতিক জলসীমায় জাহাজটির ওপর এই আক্রমণ চালানো হয়েছে বলে ইরান দাবি করছে।
আরাঘচি তার বার্তার শেষে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র যে নজির স্থাপন করেছে, তার জন্য তাদের তিক্তভাবে অনুশোচনা করতে হবে।’
ইরানের এই প্রতিক্রিয়া এমন এক সময়ে এল যখন মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও মার্কিন বাহিনীর মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। তেহরান মনে করছে, আন্তর্জাতিক জলসীমায় একটি অতিথি যুদ্ধজাহাজের ওপর হামলা চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি উসকানি দিচ্ছে। এই হামলার ফলে ১৩০ জন নাবিকের নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়ায় ইরানি কমান্ড মহলে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের এই কর্মকাণ্ড কেবল ইরানের বিরুদ্ধেই নয়, বরং সমুদ্রপথে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক শিষ্টাচারের ওপরও আঘাত বলে মনে করছে তেহরান। বিশেষ করে ভারতের আমন্ত্রণে থাকা একটি জাহাজে হামলার বিষয়টি ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলেও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।
সামরিক বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই হুঁশিয়ারি মূলত কোনো সম্ভাব্য পাল্টা সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত হতে পারে।
সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...