বিজ্ঞাপন
বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বুধবার সকাল ৮টার দিকে ইসরায়েলের রামাত গান শহরে ইরানের ছোঁড়া ক্লাস্টার বোমায় ইয়ারোন মোশে এবং ইলানা মোশে নামে এক দম্পতি নিহত হন। ৭০ বছর বয়সী এই দম্পতি নিজ বাসভবনেই হামলার শিকার হন। এছাড়া আহত ১৯২ জনের মধ্যে ৪ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হলেও বাকিদের আঘাত তুলনামূলক কম বলে জানানো হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের এই ভয়াবহ সংঘাতের সূত্রপাত গত ফেব্রুয়ারি মাসে। ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে টানা ২১ দিন সংলাপ চললেও কোনো সমঝোতা ছাড়াই তা শেষ হয়। এর পরপরই ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের সাথে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইসরায়েলও ইরানে ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ নামক অভিযান পরিচালনা করে।
যৌথ বাহিনীর এই অভিযানে ইরানে এ পর্যন্ত ২ হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। নিহতদের তালিকায় রয়েছেন ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানি এবং আইআরজিসি-র শীর্ষ কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপৌরসহ বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। হামলায় ইরানের অসংখ্য সামরিক ও বেসামরিক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
তবে ইরানও বসে নেই। যুদ্ধের শুরু থেকেই তারা ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ৬টি দেশ— সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমানে অবস্থিত মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে দফায় দফায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে। বর্তমানে পুরো অঞ্চলটি এক চরম অনিশ্চয়তা ও যুদ্ধের ভয়াবহতার মধ্য দিয়ে অতিবাহিত হচ্ছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...