বিজ্ঞাপন
বুধবার (৮ এপ্রিল) ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সংস্থা 'সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল' এক বিবৃতির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
বিবৃতিতে কাউন্সিল উল্লেখ করেছে, "যুদ্ধক্ষেত্রে নিজেদের লক্ষ্য অর্জনের পর ইরান বর্তমানে দুই সপ্তাহের জন্য আলোচনায় বসতে সম্মত হয়েছে।"
তবে সংস্থাটি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, ইসলামাবাদে যাওয়ার অর্থ এই নয় যে যুদ্ধ সম্পূর্ণ শেষ হয়ে গেছে। চূড়ান্ত ও স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নির্ভর করছে ইরানের দেওয়া শর্তগুলো কতখানি পূরণ করা হচ্ছে— তার ওপর।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার এক সপ্তাহ পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পাকিস্তানকে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় আসার আহ্বান জানিয়েছিলেন। মার্চ মাসে ট্রাম্পের পাঠানো প্রথম শান্তি প্রস্তাব ইরান প্রত্যাখ্যান করলেও, পরবর্তীতে পাঠানো ৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতি সম্বলিত সংশোধিত প্রস্তাবটি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।
তেহরান দীর্ঘ পর্যালোচনার পর মঙ্গলবার দুই সপ্তাহের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির পক্ষে মত দেয়, যা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও মেনে নিয়েছেন। তবে যুদ্ধবিরতির পাশাপাশি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে ১০ দফা শর্ত সম্বলিত একটি নিজস্ব প্রস্তাবনা দিয়েছে, যা মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানের মাধ্যমে ওয়াশিংটনে পাঠানো হয়েছে।
দুই পক্ষ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার পরপরই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ উভয় দেশের প্রতিনিধিদের ইসলামাবাদে আসার আমন্ত্রণ জানান এবং ১০ এপ্রিল সংলাপ শুরুর প্রস্তাব করেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয় পক্ষই এই প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইসলামাবাদের এই সংলাপই মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট নিরসনে মূল ভূমিকা পালন করবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...