বিজ্ঞাপন
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে, সর্বশেষ এই ইসরায়েলি হামলায় বেশ কয়েকজন শিশুসহ অন্তত ৩১ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, গত এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে মার্কিন মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর এটিই ছিল অন্যতম ভয়াবহ ও বড় ধরনের বিমান হামলা। রাতভর চালানো এই অভিযানে তারা হিজবুল্লাহর ১০০টিরও বেশি সামরিক অবকাঠামো ও যোদ্ধাদের লক্ষ্যবস্তু করেছে।
এর আগে গত সোমবার (২৫ মে) ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এক বিবৃতিতে জানিয়েছিলেন যে, তিনি হিজবুল্লাহর অবস্থানগুলোতে আঘাত হানার ক্ষেত্রে ‘আরও কঠোর পদক্ষেপ’ নেওয়ার জন্য বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন।
এরপর মঙ্গলবার (২৬ মে) দেশটির নিরাপত্তা মন্ত্রিসভার এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি পুনরায় হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইসরায়েল বর্তমানে ‘লেবাননে আমাদের সামরিক অভিযান আরও তীব্রতর করছে’।
নেতানিয়াহু আরও দাবি করেন, আইডিএফ স্থলভাগে বিশাল সেনাবহর নিয়ে যুদ্ধ করছে এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু এলাকা ইতিমধ্যে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। উত্তর ইসরায়েলের জনবসতিগুলোকে হিজবুল্লাহর রকেট ও ড্রোন হামলা থেকে পুরোপুরি সুরক্ষিত রাখতে তারা সীমান্ত সংলগ্ন ‘নিরাপত্তা অঞ্চলকে আরও শক্তিশালী’ করে তুলছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, উভয় পক্ষই বারবার যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন করায় যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাত অবসানের জটিল কূটনৈতিক আলোচনা গভীর সংকটের মুখে পড়েছে। এর অংশ হিসেবে গত মঙ্গলবার যুদ্ধবিরতি আবহের মধ্যেই দক্ষিণ ইরানে নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। মূলত ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি এবং পারস্য উপসাগরের সমুদ্রপথে মাইন পুঁতে রাখার চেষ্টায় লিপ্ত থাকা ইরানি নৌযানকে লক্ষ্য করে মার্কিন বাহিনী এই হামলা পরিচালনা করে।
সূত্র : বিবিসি।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...