জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন কমান্ড সেন্টার। ছবি: সংগৃহীত
বিজ্ঞাপন
আইআরজিসির দাবি অনুযায়ী, জর্ডানের আল-আজরাক এয়ার বেস এবং এর নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র লক্ষ্য করে মোট ১২টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। ইরানের সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির বরাতে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আগ্রাসীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক অভিযানের’ অংশ হিসেবে এ হামলা পরিচালনা করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়, হামলার ফলে সংশ্লিষ্ট সামরিক ঘাঁটি এবং সেখানে অবস্থানরত বিপুলসংখ্যক যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছে। তবে এ দাবির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো স্বাধীন সূত্র থেকে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়। এ প্রসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে সতর্ক করে বলেন, ‘তাদের এখন মূল্য দিতে হবে।’ এর কয়েক ঘণ্টা পর মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানায়, ইরানের ‘অন্যায্য ও অব্যাহত আগ্রাসনের’ জবাবে তারা অতিরিক্ত আত্মরক্ষামূলক সামরিক অভিযান শুরু করেছে।
এদিকে ইরানি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালির দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত বান্দর আব্বাস, কেশম ও মিনাব শহরে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। পাশাপাশি কারগান ও সিরিক এলাকাতেও শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে আইআরজিসি আরও দাবি করেছে, তারা কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালিয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, বাহরাইনে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়, দুই দফা অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর ১৮টি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে। একই সঙ্গে বাহরাইনের শেখ ঈসা বিমানঘাঁটিতেও হামলা চালিয়ে তা ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলার এসব দাবি পরিস্থিতিকে আরও জটিল ও উদ্বেগজনক করে তুলেছে। তবে উভয় পক্ষের দাবির অনেকগুলোই এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
সূত্রঃ আল জাজিরা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...