বিজ্ঞাপন
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মইজ্জ্যারটেকের পূর্বপাশে সিডিএ টেক সড়কের মুখে, এস আলম ভেজিটেবল অয়েলের বাউন্ডারি সংলগ্ন ফুটপাতের ওপর টিন ও বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করে পাঁচটি দোকান নির্মাণ করা হয়েছে। এর মধ্যে দুটি দোকানে ইতোমধ্যে ব্যবসায়িক কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। বাকি দোকানগুলো চালুর প্রস্তুতি চলছে।
এছাড়াও মইজ্জ্যারটেক বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে একাধিক স্থাপনা গড়ে উঠেছে, এছাড়াও সড়ক দখল করেও বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা চলছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ফুটপাতটি দীর্ঘদিন ধরে পথচারীদের চলাচলের জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই রাতারাতি সেখানে দোকান নির্মাণ করায় পথচারীদের চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, নারী ও বয়স্কদের দুর্ভোগ বেড়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পথচারী বলেন, “ফুটপাত মানুষের হাঁটার জন্য। কিন্তু এখন দেখছি ফুটপাতই দোকানে ভরে যাচ্ছে। প্রশাসনের চোখের সামনে এসব হচ্ছে, অথচ কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।”
আরেক স্থানীয় বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন, “এভাবে একের পর এক দোকান গড়ে উঠতে থাকলে অচিরেই পুরো ফুটপাত দখল হয়ে যাবে। এতে যানজট ও জনভোগান্তি আরও বাড়বে।”
এলাকাবাসীর দাবি, সরকারি জায়গা ও ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণের প্রবণতা দিন দিন বাড়ছে। সময়মতো ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে এসব স্থাপনা উচ্ছেদ করাও কঠিন হয়ে পড়বে।
এ বিষয়ে কর্ণফুলী টি আই আবু সায়েদ বাকার বলেন, এবিষয়ে আমি অবগত নই। তবে, দ্রুত তদন্ত করে ফুটপাত দখলমুক্ত করা হবে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, জনস্বার্থে নির্মিত ফুটপাত পথচারীদের জন্য উন্মুক্ত রাখা জরুরি।
অন্যথায় নগর পরিকল্পনা ও সড়ক ব্যবস্থাপনার উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়বে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...