বিজ্ঞাপন
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী ‘সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন-ফাইন্যান্সিয়াল কর্পোরেশনসহ স্ব-শাসিত সংস্থাগুলোতে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা নির্ধারণ বিল, ২০২৬’ শীর্ষক বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনটি পরিচালিত হয়।
পাস হওয়া এই বিলের বিধান অনুযায়ী, বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) সকল ক্যাডার এবং বিসিএস বহির্ভূত সকল সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা হবে ৩২ বছর। স্বায়ত্তশাসিত ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থাগুলোর যেসব পদে নিয়োগের বয়সসীমা আগে ৩০ বা অনূর্ধ্ব ৩২ ছিল, সেখানেও এখন থেকে ৩২ বছর কার্যকর হবে।
তবে বিলটিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্পষ্ট করা হয়েছে—যাদের নিয়োগ বিধিমালায় আগে থেকেই ৩২ বছরের বেশি (যেমন: ৩৫, ৪০ বা ৪৫ বছর) বয়সসীমা নির্ধারিত ছিল, তাদের ক্ষেত্রে সেই উচ্চতর বয়সসীমাটিই বহাল থাকবে। অর্থাৎ, এই আইনের ফলে কারো বিদ্যমান সুযোগ কমবে না। এছাড়া প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগ এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়োগের ক্ষেত্রে তাদের নিজস্ব বিদ্যমান বিশেষ বিধিমালা অপরিবর্তিত থাকবে।
বিলটির উদ্দেশ্য ও কারণসংবলিত বিবৃতিতে প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী জানান, শিক্ষিত বেকার যুবকদের দেশ গঠনে আরও বেশি সুযোগ করে দিতে এবং শ্রমবাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে এই বয়সসীমা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে ২০২৪ ও ২০২৫ সালে এ সংক্রান্ত দুটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল। সেই অধ্যাদেশগুলো রহিত করে সেগুলোকে স্থায়ী আইনি রূপ দিতেই এই নতুন বিলটি আনা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, আগের অধ্যাদেশ জারির ফলে কিছু কারিগরি জটিলতা তৈরি হয়েছিল, যার ফলে কিছু বিশেষায়িত পদে উচ্চতর বয়সসীমা কমে গিয়েছিল। বর্তমান বিলের মাধ্যমে সেই অস্পষ্টতা ও জটিলতা দূর করা হয়েছে এবং উচ্চতর বয়সসীমার পদগুলোর বিদ্যমান নিয়ম বহাল রাখা হয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...