বিজ্ঞাপন
পাস হওয়া বিলগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— ‘সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০২৬’, ‘সরকারি হিসাব নিরীক্ষা আইন, ২০২৬’, ‘প্রোটেকশন অ্যান্ড কনসারভেশন অব ফিস (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬’, ‘পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন কর্তৃপক্ষ (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ এবং ‘শেখ হাসিনা পল্লী উন্নয়ন একাডেমি জামালপুর (সংশোধন) আইন, ২০২৬’। এই বিলটির মাধ্যমে জামালপুরের পল্লী উন্নয়ন একাডেমি থেকে ‘শেখ হাসিনা’ নাম বিলুপ্ত করার প্রস্তাব কার্যকর করা হয়েছে।
অধিবেশনে ‘সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ উত্থাপনের সময় সংসদে কিছুটা বিতর্ক ও উত্তাপ ছড়ায়। বিরোধীদলীয় নেতা ড. শফিকুর রহমান বিলটি পর্যালোচনার জন্য অতিরিক্ত সময়ের দাবি জানান।
তিনি অভিযোগ করেন, বিলটি মাত্র কয়েক মিনিট আগে হাতে পাওয়ায় তা গুরুত্বসহকারে দেখা সম্ভব হয়নি। তবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রুলিং দিয়ে জানান, বিল পাসের এই চূড়ান্ত পর্যায়ে এসে নতুন করে আপত্তি করার আইনি সুযোগ নেই। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রস্তাব না আসায় বিরোধীদলীয় নেতার দাবিটি নাকচ করে দেন স্পিকার।
জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে দেশে ব্যাপক জনমত তৈরি হয়েছে এবং এই আইনের বলেই বর্তমান নির্বাচন কমিশন আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত রেখেছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, সংগঠনের বিচারের স্বার্থে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) আইনেও প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা হয়েছে। বিলটির আলোচনার ধাপগুলো আগেই পার হয়ে গেছে বলে তিনি নতুন করে আলোচনার প্রস্তাব নাকচ করেন। শেষ পর্যন্ত স্পিকারের রুলিং ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যাখ্যার পর বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।
এ ছাড়া ‘সরকারি হিসাব নিরীক্ষা আইন’ ও ‘মৎস্য সংরক্ষণ আইন’ সংশোধনের মাধ্যমে প্রশাসনিক ও পরিবেশগত আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন সংক্রান্ত বিলটির মাধ্যমে জনসেবা নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষের আইনি কাঠামোয় পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা জরুরি অধ্যাদেশগুলো পূর্ণাঙ্গ আইনে পরিণত হলো।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...