ঈদের ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছেন নগরবাসী। ছবি: সংগৃহীত
বিজ্ঞাপন
রোববার (৩১ মে) সকাল থেকেই গাবতলী, মহাখালী ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল, কমলাপুর রেলস্টেশন এবং সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে রাজধানীমুখী যাত্রীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তবে কোথাও অতিরিক্ত ভিড় কিংবা বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়নি। পরিবহন চলাচলও ছিল স্বাভাবিক।
বিশেষ করে দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে লঞ্চযোগে ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন যাত্রীরা। সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে আগত যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নদীপথে তাদের যাত্রা ছিল বেশ স্বস্তিদায়ক। লঞ্চগুলোতে যাত্রী থাকলেও অতিরিক্ত চাপ বা ভিড়ের কারণে কোনো ধরনের দুর্ভোগ পোহাতে হয়নি। অধিকাংশ লঞ্চ নির্ধারিত সময়েই রাজধানীতে পৌঁছেছে এবং অতিরিক্ত যাত্রীচাপও দেখা যায়নি।
একইভাবে ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর, কিশোরগঞ্জ ও গাজীপুরসহ বিভিন্ন জেলা থেকে ছেড়ে আসা বাসগুলোতেও যাত্রীর সংখ্যা ছিল স্বাভাবিক। যাত্রীরা নির্বিঘ্নে বাস থেকে নেমে নিজ নিজ গন্তব্যে যেতে পেরেছেন। যাত্রীচাপ কম থাকায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগও পাওয়া যায়নি।
পরিবহন সংশ্লিষ্টরা জানান, দীর্ঘ ছুটির কারণে সবাই একসঙ্গে রাজধানীতে ফিরছেন না। অনেকে ধাপে ধাপে কর্মস্থলে ফিরছেন। ফলে যাত্রীচাপ কয়েক দিনের মধ্যে ভাগ হয়ে যাওয়ায় পরিবহন ব্যবস্থাপনা সহজ হয়েছে এবং ভোগান্তিও কমেছে।
অন্যদিকে, ঈদের সময় বাড়ি যেতে না পারা অনেক মানুষ এখন পরিবার-পরিজন নিয়ে গ্রামের পথে রওনা হচ্ছেন। ফলে রাজধানীর বিভিন্ন পরিবহন কেন্দ্রে ঢাকামুখী ও গ্রামমুখী—উভয় ধরনের যাত্রীর উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে। তবুও কোথাও বড় ধরনের চাপ বা বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়নি।
যাত্রীরা জানান, ফাঁকা সড়ক, স্বাভাবিক যান চলাচল এবং পর্যাপ্ত পরিবহন সুবিধার কারণে এবারের ঢাকা ফেরা আগের বছরের তুলনায় অনেক বেশি স্বস্তিদায়ক হয়েছে। তবে ছুটি শেষ হওয়ার আগমুহূর্তে বিকেল ও সন্ধ্যার দিকে রাজধানীমুখী যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত টানা ছুটি ভোগ করছেন। আগামীকাল থেকে অফিস-আদালত, ব্যাংকসহ অধিকাংশ সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান পুনরায় কার্যক্রম শুরু করবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...