বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। নিহত সেলিম রংপুর জেলার কুতবআলী থানার ওমরকুটি গ্রামের জয়নাল মিয়ার ছেলে। তিনি স্ত্রী রোকসানা ওরফে আফরোজা (২৫), শাশুড়ি রহিমা বেগম (৬০), দুই মেয়ে ও এক ছেলে সন্তানকে নিয়ে আমিনপুর পুরাতন কলোনী গ্রামে বসবাস করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে সেলিমের ঘরের দরজা দীর্ঘ সময় বন্ধ দেখতে পেয়ে তার সঙ্গে কাজ করা এক রাজমিস্ত্রী সন্দেহ করেন। পরে তিনি জানালা দিয়ে ঘরের ভেতরে তাকিয়ে সেলিমকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। এ সময় তিনি চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, ঘরের ভেতরে সেলিমের মরদেহ গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলছিল। তবে মরদেহের পা ভাঁজ করা অবস্থায় থাকায় অনেকের ধারণা, এটি স্বাভাবিক আত্মহত্যার ঘটনা নাও হতে পারে। স্থানীয়দের কেউ কেউ দাবি করছেন, তাকে হত্যার পর মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়ে থাকতে পারে। যদিও এ ধরনের দাবির পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
খবর পেয়ে শেরপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম মঈনউদ্দিন বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...