বিজ্ঞাপন
শনিবার (২০ জুন) প্রধানমন্ত্রীর এই গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সফর উপলক্ষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম।
পররাষ্ট্রসচিব সংবাদ সম্মেলনে বলেন, নতুন সরকার গঠনের পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান এবং রাষ্ট্রনায়কদের সঙ্গে নিবিড় কূটনৈতিক যোগাযোগ রক্ষা করে আসছেন। তারই ধারাবাহিকতায় তিনি আগামী ২১-২২ জুন মালয়েশিয়া এবং ২৩-২৬ জুন চীনে এই সরকারি সফর পরিচালনা করবেন।
সফরসূচি অনুযায়ী, মালয়েশিয়া সফরকালে আগামী ২২ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে এক একান্ত বৈঠকে মিলিত হবেন। পরবর্তীতে উভয় দেশের সরকারপ্রধানের নেতৃত্বে উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দলের মধ্যে আনুষ্ঠানিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এই বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নানা দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। বিশেষ করে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, জ্বালানি সহযোগিতা, হালাল অর্থনীতি, সেমিকন্ডাক্টর শিল্প, কৃষি, শিক্ষা এবং জনযোগাযোগসহ (পিপল-টু-পিপল কন্টাক্ট) বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুদেশের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
পররাষ্ট্রসচিব আরও জানান, বৈঠকে মালয়েশিয়ার বিভিন্ন সেক্টরে নতুন করে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে উত্থাপন করা হবে। এর পাশাপাশি দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর জোট 'আসিয়ান'-এ (ASEAN) বাংলাদেশের যোগদান এবং মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা নাগরিকদের দ্রুত নিরাপদ প্রত্যাবাসনের প্রক্রিয়ায় মালয়েশিয়ার সক্রিয় সমর্থন চাওয়া হবে।
প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকালে মালয়েশিয়ার সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের প্রসঙ্গে আসাদ আলম সিয়াম বলেন, এই সফরে দুই দেশের মধ্যে সংস্কৃতি বিষয়ক একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) সই হওয়ার কথা রয়েছে। এ ছাড়া, আনুষ্ঠানিক বাণিজ্যিক আলোচনা শুরু করার লক্ষ্যে ‘টার্মস অফ রেফারেন্স’ (ToR) বিনিময়সহ আরও কিছু দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক দলিল স্বাক্ষরের বিষয়ে আলোচনা চলমান রয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...