কৃষক কার্ড কি যুবকদের কৃষিতে আকৃষ্ট করতে পারবে?
বাংলা ১৪৩৩ সালের প্রথম দিনটি দেশের কৃষক সমাজের জন্য এক তাৎপর্যপূর্ণ অর্জন। এদিন আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয় “কৃষক কার্ড” কর্মসূচি—যার অন্যতম লক্ষ্য হলো প্রকৃত কৃষকদের একটি সমন্বিত, আধুনিক ও তথ্যনির্ভর সেবা কাঠামোর আওতায় আনা। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সকল কৃষক পরিবারকে এই কার্ডের আওতায় আনা হবে। ইতোমধ্যে ১১টি অঞ্চলে পাইলট কার্যক্রম শুরু হয়েছে, যাতে জাতীয় পর্যায়ে বাস্তবায়নের আগে প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতা অর্জন করা যায়। এই কার্ডের মাধ্যমে সার, বীজ, প্রণোদনা, ভর্তুকি, বীমা, কৃষিঋণসহ প্রায় ১০টি গুরুত্বপূর্ণ সেবা সরাসরি কৃষকের হাতে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফলে মধ্যস্বত্বভোগীর দৌরাত্ম্য কমবে, সেবাপ্রাপ্তিতে স্বচ্ছতা বাড়বে এবং কৃষকের অধিকার আরও সুরক্ষিত হবে। একই সঙ্গে কৃষি খাতকে একটি সুসংগঠিত ও তথ্যভিত্তিক ব্যবস্থায় রূপান্তরের পথও সুগম হবে। নিঃসন্দেহে এটি একটি সময়োপযোগী ও দূরদর্শী উদ্যোগ। তবে প্রশ্ন থেকেই যায়—এই উদ্যোগ কি দেশের বিপুল যুবসমাজকে কৃষির প্রতি আকৃষ্ট করতে যথেষ্ট?